অধ্যায় ৬: পরিবেশের সজীব উপাদানের গঠনগত বৈচিত্র্য ও কার্যগত প্রক্রিয়া
অধ্যায়ের সারসংক্ষেপ
এই অধ্যায়ে আমরা পরিবেশের সজীব উপাদান, বিশেষ করে উদ্ভিদের গঠনগত বৈচিত্র্য ও তাদের বিভিন্ন কার্যগত প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করব। একটি আদর্শ সপুষ্পক উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ যেমন—মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজের গঠন, প্রকারভেদ এবং কাজ বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মূল কীভাবে গাছকে ধরে রাখে এবং জল শোষণ করে, কাণ্ড কীভাবে জল ও খাদ্য পরিবহন করে, পাতা কীভাবে খাদ্য তৈরি করে—এইসব প্রক্রিয়াগুলি আলোচিত হয়েছে। এছাড়া, বিশেষ কাজের জন্য মূল, কাণ্ড ও পাতার বিভিন্ন রূপান্তর (যেমন: শ্বাসমূল, শাখাকন্টক, পত্রকন্টক) উদাহরণসহ দেখানো হয়েছে। ফুলের বিভিন্ন অংশ এবং পরাগমিলনের প্রকারভেদ ও গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। সবশেষে, জীবদেহে ব্যাপন ও অভিস্রবণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভৌত প্রক্রিয়ার ধারণা এবং অঙ্কুরোদগম ও জল শোষণে এদের ভূমিকা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (MCQ)
গাছের যে অংশটি সাধারণত মাটির নীচে বৃদ্ধি পায়, তাকে কী বলে?
উত্তর: (গ) মূল
কোন উদ্ভিদের অস্থানিক মূল দেখা যায়?
উত্তর: (গ) ধান
সুন্দরী গাছের শ্বাসমূলের কাজ কী?
উত্তর: (খ) শ্বাসকার্য চালানো
আলু আসলে উদ্ভিদের কোন অংশ?
উত্তর: (খ) রূপান্তরিত কাণ্ড
উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয় কোনটিকে?
উত্তর: (গ) পাতা
ফণীমনসার কাঁটা আসলে কীসের রূপান্তর?
উত্তর: (গ) পাতা
একটি আদর্শ ফুলের কয়টি স্তবক থাকে?
উত্তর: (গ) চারটি
ফুলের কোন অংশ ফলে পরিণত হয়?
উত্তর: (ঘ) গর্ভাশয়
ফুলের কোন অংশ বীজে পরিণত হয়?
উত্তর: (গ) ডিম্বক
কোন উদ্ভিদে স্বপরাগযোগ ঘটে?
উত্তর: (গ) দোপাটি
কোনটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ?
উত্তর: (ঘ) মটর
অঙ্কুরোদগমের জন্য কোনটি অপরিহার্য নয়?
উত্তর: (গ) সূর্যালোক
বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের দিকে অণুর ছড়িয়ে পড়াকে কী বলে?
উত্তর: (খ) ব্যাপন
অর্ধভেদ্য পর্দার মাধ্যমে দ্রাবকের অণুর চলাচলকে কী বলে?
উত্তর: (ক) অভিস্রবণ
ORS-এর পুরো নাম কী?
উত্তর: (ক) Oral Rehydration Solution
সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)
মূল কাকে বলে? এর দুটি প্রধান কাজ লেখো।
উত্তর: উদ্ভিদের যে অংশটি সাধারণত পর্ব, পর্বমধ্য ও অগ্রমুকুলবিহীন এবং মাটির নীচে প্রবেশ করে, তাকে মূল বলে। এর প্রধান দুটি কাজ হলো—গাছকে মাটির সঙ্গে আবদ্ধ রাখা এবং মাটি থেকে জল ও খনিজ লবণ শোষণ করা।
স্থানিক ও অস্থানিক মূলের পার্থক্য কী?
উত্তর: বীজের ভ্রূণমূল থেকে উৎপন্ন প্রধান মূল এবং তার শাখা-প্রশাখা নিয়ে গঠিত মূলকে স্থানিক মূল বলে (যেমন: আম)। আর ভ্রূণমূল নষ্ট হয়ে গিয়ে কাণ্ড বা পাতার যেকোনো অংশ থেকে উৎপন্ন মূলকে অস্থানিক মূল বলে (যেমন: ধান)।
কাণ্ডের দুটি প্রধান কাজ লেখো।
উত্তর: কাণ্ডের দুটি প্রধান কাজ হলো: (১) উদ্ভিদের শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল ও ফলের ভার বহন করা। (২) মূল দ্বারা শোষিত জল ও পাতায় উৎপন্ন খাদ্য সারা দেহে পরিবহন করা।
রূপান্তরিত কাণ্ড কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: যখন কাণ্ড তার স্বাভাবিক কাজ ছাড়াও অন্য কোনো বিশেষ কাজ (যেমন: খাদ্য সঞ্চয়, আত্মরক্ষা, আরোহণ) করার জন্য স্থায়ীভাবে পরিবর্তিত হয়, তখন তাকে রূপান্তরিত কাণ্ড বলে। উদাহরণ: আলুর স্ফীতکند।
পাতার প্রধান কাজ কী?
উত্তর: পাতার প্রধান কাজ হলো সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করা। এছাড়া বাষ্পমোচন ও গ্যাসের আদানপ্রদানেও পাতা সাহায্য করে।
একটি আদর্শ ফুলের চারটি স্তবকের নাম লেখো।
উত্তর: একটি আদর্শ ফুলের চারটি স্তবক হলো—বৃতি, দলমণ্ডল, পুংকেশর চক্র এবং গর্ভকেশর চক্র।
সপুষ্পক উদ্ভিদের কোন অংশ ফলে এবং কোন অংশ বীজে পরিণত হয়?
উত্তর: সপুষ্পক উদ্ভিদের ফুলের গর্ভাশয় ফলে এবং ডিম্বক বীজে পরিণত হয়।
পরাগমিলন বা পরাগযোগ কাকে বলে?
উত্তর: কোনো ফুলের পরাগরেণু সেই ফুলের বা একই প্রজাতির অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়ার ঘটনাকে পরাগমিলন বা পরাগযোগ বলে।
স্বপরাগযোগ ও ইতরপরাগযোগের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: যখন কোনো ফুলের পরাগরেণু সেই একই ফুলের বা সেই গাছের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে পড়ে, তাকে স্বপরাগযোগ বলে। আর যখন কোনো ফুলের পরাগরেণু বাহকের দ্বারা একই প্রজাতির অন্য গাছের ফুলের গর্ভমুণ্ডে পড়ে, তাকে ইতরপরাগযোগ বলে।
* ব্যাপন কাকে বলে?
উত্তর: যে ভৌত প্রক্রিয়ায় কোনো পদার্থের অণুগুলি তাদের বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের স্থানের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে ব্যাপন বলে।
* অভিস্রবণ কাকে বলে?
উত্তর: যে ভৌত প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পৃথক থাকলে, দ্রাবকের অণু কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে যায়, তাকে অভিস্রবণ বলে।
অঙ্কুরোদগম কাকে বলে?
উত্তর: অনুকূল পরিবেশে (জল, বায়ু, উষ্ণতা) বীজের মধ্যস্থ ভ্রূণের বৃদ্ধি শুরু হয়ে বীজত্বক ভেদ করে চারাগাছ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে অঙ্কুরোদগম বলে।
দ্বিবীজপত্রী ও একবীজপত্রী উদ্ভিদের একটি করে উদাহরণ দাও।
উত্তর: দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ: আম, মটর। একবীজপত্রী উদ্ভিদ: ধান, ভুট্টা।
ORS কী? এটি কখন প্রয়োজন হয়?
উত্তর: ORS বা Oral Rehydration Solution হলো নুন ও চিনির একটি নির্দিষ্ট আনুপাতিক জলীয় দ্রবণ। ডায়রিয়া বা বমির ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত জল ও লবণ বেরিয়ে গেলে, সেই ঘাটতি পূরণের জন্য এটি প্রয়োজন হয়।
মিষ্টি জলের মাছ কীভাবে দেহে জলের ভারসাম্য রক্ষা করে?
উত্তর: মিষ্টি জলের মাছেরা প্রায় জল পান করে না এবং প্রচুর পরিমাণে লঘু মূত্র ত্যাগ করে দেহ থেকে অতিরিক্ত জল বের করে দেয়।
রচনাধর্মী প্রশ্ন (Broad Questions)
* একটি আদর্শ সপুষ্পক উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশগুলি কী কী? মূল ও কাণ্ডের প্রধান কাজগুলি আলোচনা করো।
উত্তর:
একটি আদর্শ সপুষ্পক উদ্ভিদের প্রধান অংশগুলি হলো—মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজ। সমগ্র দেহটিকে প্রধানত দুটি অংশে ভাগ করা যায়—বিটপ তন্ত্র (মাটির উপরের অংশ) এবং মূল তন্ত্র (মাটির নীচের অংশ)।
মূলের প্রধান কাজ:
১. যান্ত্রিক কাজ: মূল তার শাখা-প্রশাখার সাহায্যে গাছকে মাটির সঙ্গে দৃঢ়ভাবে আটকে রাখে, ফলে ঝড়-বাতাসে গাছ সহজে উপড়ে যায় না।
২. শারীরবৃত্তীয় কাজ: মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে জল ও জলে দ্রবীভূত খনিজ লবণ শোষণ করা মূলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এই শোষিত রস কাণ্ডের মাধ্যমে পাতায় পৌঁছায়।
৩. বিশেষ কাজ: কিছু উদ্ভিদের মূল খাদ্য সঞ্চয় (যেমন: গাজর, মুলো), শ্বাসকার্য (যেমন: সুন্দরী), আরোহণ (যেমন: পান) ইত্যাদি বিশেষ কাজ করার জন্য রূপান্তরিত হয়।
কাণ্ডের প্রধান কাজ:
১. ভার বহন: কাণ্ড উদ্ভিদের শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল ও ফলের ভার বহন করে এবং তাদের সূর্যালোক পাওয়ার জন্য ঊর্ধ্বে তুলে ধরে।
২. পরিবহন: কাণ্ডের মধ্যে থাকা জাইলেম কলার মাধ্যমে মূল দ্বারা শোষিত জল ও খনিজ লবণ পাতায় পৌঁছায় এবং ফ্লোয়েম কলার মাধ্যমে পাতায় উৎপন্ন খাদ্য সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে।
৩. বিশেষ কাজ: কিছু উদ্ভিদের কাণ্ড খাদ্য সঞ্চয় (যেমন: আলু), আত্মরক্ষা (যেমন: বেলের কাঁটা), আরোহণ (যেমন: কুমড়োর আকর্ষ) ইত্যাদি কাজ করার জন্য রূপান্তরিত হয়।একটি আদর্শ ফুলের চিত্র অঙ্কন করে বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করো। ফুলের কোন কোন অংশ সরাসরি জননে অংশগ্রহণ করে?
উত্তর:
একটি আদর্শ ফুলের চারটি স্তবক: বৃতি, দলমণ্ডল, পুংকেশর চক্র ও গর্ভকেশর চক্র।
এর মধ্যে দুটি অংশ সরাসরি জননে অংশগ্রহণ করে, এদের অত্যাবশ্যকীয় বা জনন স্তবক বলে।
১. পুংকেশর চক্র (Androecium): এটি ফুলের পুং জনন স্তবক। এর প্রতিটি অংশকে পুংকেশর বলে। পুংকেশরের পরাগধানীতে পরাগরেণু উৎপন্ন হয়, যা পুং জননকোষ বহন করে।
২. গর্ভকেশর চক্র (Gynoecium): এটি ফুলের স্ত্রী জনন স্তবক। এর প্রতিটি অংশকে গর্ভকেশর বলে। গর্ভকেশরের গর্ভাশয়ে ডিম্বক থাকে, যা স্ত্রী জননকোষ বা ডিম্বাণু ধারণ করে।
পরাগমিলনের মাধ্যমে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয় এবং নিষেকের ফলে ফল ও বীজ গঠিত হয়।* ব্যাপন ও অভিস্রবণের মধ্যে পার্থক্য লেখো। জীবদেহে এই দুটি প্রক্রিয়ার একটি করে গুরুত্ব উল্লেখ করো।
উত্তর:
ব্যাপন ও অভিস্রবণের পার্থক্য:বিষয় ব্যাপন (Diffusion) অভিস্রবণ (Osmosis) অণুর চলাচল দ্রাব এবং দ্রাবক উভয় প্রকার অণুই চলাচল করতে পারে। কেবলমাত্র দ্রাবকের অণু চলাচল করতে পারে। ঘনত্ব অণুগুলি বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের দিকে যায়। দ্রাবকের অণু কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে যায়। পর্দার প্রয়োজনীয়তা এর জন্য কোনো পর্দার প্রয়োজন হয় না। এর জন্য একটি অর্ধভেদ্য পর্দার প্রয়োজন হয়। মাধ্যম কঠিন, তরল ও গ্যাসীয়—তিন মাধ্যমেই ঘটে। শুধুমাত্র তরল মাধ্যমে ঘটে।
জীবদেহে গুরুত্ব:
ব্যাপনের গুরুত্ব: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষের জন্য বায়ু থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ এবং শ্বসনের জন্য অক্সিজেন গ্রহণ ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে। প্রাণীদের ফুসফুসে গ্যাসীয় আদানপ্রদানও ব্যাপনের উদাহরণ।
অভিস্রবণের গুরুত্ব: উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে জল শোষণ করে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। প্রাণীকোষের মধ্যে জলীয় ভারসাম্য বজায় রাখতেও অভিস্রবণ অপরিহার্য।বীজের গঠন বর্ণনা করো। অঙ্কুরোদগমের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তগুলি কী কী?
উত্তর:
বীজের গঠন:
একটি পরিণত বীজ প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত:
১. বীজত্বক (Seed Coat): এটি বীজের বাইরের শক্ত আবরণ, যা ভেতরের অংশকে রক্ষা করে। এর দুটি স্তর—বাইরের স্তরটিকে বহিস্ত্বক বা টেস্টা (Testa) এবং ভেতরের পাতলা স্তরটিকে অন্তস্ত্বক বা টেগমেন (Tegmen) বলে।
২. ভ্রূণ (Embryo): এটি বীজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা থেকে নতুন চারাগাছ জন্মায়। ভ্রূণের প্রধান অংশগুলি হলো—
- বীজপত্র (Cotyledon): এটি ভ্রূণের খাদ্য সঞ্চয় করে রাখে। এর সংখ্যার উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদ একবীজপত্রী (একটি বীজপত্র) বা দ্বিবীজপত্রী (দুটি বীজপত্র) হয়।
- ভ্রূণাক্ষ (Tigellum): এর দুটি প্রান্ত থাকে। উপরের প্রান্তটি হলো ভ্রূণমুকুল (Plumule), যা থেকে কাণ্ড তৈরি হয় এবং নীচের প্রান্তটি হলো ভ্রূণমূল (Radicle), যা থেকে মূল তৈরি হয়।
৩. সস্য বা এন্ডোস্পার্ম (Endosperm): অনেক একবীজপত্রী বীজে (যেমন: ভুট্টা) ভ্রূণের বাইরে একটি পৃথক অংশে খাদ্য সঞ্চিত থাকে, একে সস্য বলে।
অঙ্কুরোদগমের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত:
একটি বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য তিনটি প্রধান শর্ত অপরিহার্য:
১. জল: জল বীজত্বককে নরম করে এবং বীজের ভেতরে থাকা উৎসেচকগুলিকে সক্রিয় করে খাদ্যকে তরল করে, যা ভ্রূণের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
২. বায়ু (অক্সিজেন): অঙ্কুরোদগমের সময় ভ্রূণের দ্রুত কোষ বিভাজনের জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়। এই শক্তি আসে শ্বসন প্রক্রিয়া থেকে, যার জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য।
৩. উপযুক্ত উষ্ণতা: প্রতিটি বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিধির উষ্ণতা প্রয়োজন। খুব কম বা খুব বেশি তাপমাত্রায় অঙ্কুরোদগম ব্যাহত হয়।