অষ্টম শ্রেণীর বাংলা সমাধান - পরবাসী

WBBSE-র 'সাহিত্য মেলা' বইয়ের "পরবাসী" কবিতার সম্পূর্ণ সমাধান।

Shilpi Mondal
Shilpi Mondal
বিজ্ঞাপন

কবিতা: পরবাসী

কবি: বিষ্ণু দে


কবি সম্পর্কে আলোচনা

বিষ্ণু দে (১৯০৯ – ১৯৮২): তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলা কবিতার একজন অন্যতম পথিকৃৎ। কলকাতার বিখ্যাত শ্যামাচরণ দে বিশ্বাস পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। তাঁর কবিতায় সমসাময়িক জীবন, ইতিহাস এবং রাজনৈতিক চেতনার গভীর ছাপ পাওয়া যায়। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে 'চোরাবালি', 'পূর্বলেখ', 'সন্দীপের চর', 'অন্বিষ্ট' ইত্যাদি। তিনি বিদেশি কবিতার অনুবাদও করেছেন।

Bishnu Dey

কবিতার সারসংক্ষেপ

"পরবাসী" কবিতায় কবি বিষ্ণু দে প্রকৃতির এক সুন্দর ও শান্ত রূপের বর্ণনা দিয়ে শুরু করেছেন। তিনি এঁকেছেন এক বনের ছবি, যার মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে আঁকাবাঁকা পথ। রাতের অন্ধকারে জঙ্গল থেকে খরগোশ লাফিয়ে নামে। কবি নিটোল টিলার উপর পলাশের ঝোপে দেখেছেন কথক নাচের ভঙ্গিমায় বনময়ূরকে। নদীর ধারে তিনি হরিণের ডাক শুনেছেন এবং হিংস্র চিতার আনাগোনা দেখেছেন।

কিন্তু কবিতার শেষে কবি এক গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি দেখছেন যে সেই সুন্দর বন আর নেই, জঙ্গল সাফ হয়ে গেছে, গ্রাম মরে গেছে এবং শহরের সৌন্দর্যও নষ্ট হয়ে গেছে। মানুষ নিজের দেশেই যেন অসহায় ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কবি প্রশ্ন করেছেন, মানুষ কবে আবার নিজের বাসভূমিতে ফিরে আসবে, অর্থাৎ প্রকৃতির সঙ্গে তার হারিয়ে যাওয়া সম্পর্ক ফিরে পাবে।


দুই দিকে বন, মাঝে ঝিকিমিকি পথ
এঁকে বেঁকে চলে প্রকৃতির তালে-তালে।
রাতের আলোয় থেকে-থেকে জ্বলে চোখ,
নেচে লাফ দেয় কোটি-কোটি খরগোশ।
নিটোল টিলার পলাশের ঝোপে দেখেছি
হঠাৎ পুলকে বনময়ূরের কথক,
তাঁবুর ছায়ায় নদীর সোনালি সেতারে
মিলিয়েরে তার সুষমা।
চুপি-চুপি আসে নদীর কিনারে, জল খায়!
শুনেছি সিসমুনির হরিণ-আহ্বান।
চিতা চলে গেল লুব্ধ ছন্দে
বন্য প্রাণের কথাকলি বেগ জাগিয়ে।
কোথায় সে বন, বসতিও কে বসায়নি,
শুধু প্রান্তরে শুকনো হাওয়ার হাহাকার।
জঙ্গল সাফ, গ্রাম মরে গেছে, শহরের
পত্তন নেই, ময়ূর মরেছে পণ্যে।
কেন এই দেশে মানুষ এমন অসহায়?
কেন নদী গাছ পাহাড় এমন স্তব্ধ?
সারাদেশময় তাঁবু ব'য়ে কত ঘুরব?
পরবাসী কবে নিজবাসভূমি গড়বে?

অনুশীলনী প্রশ্ন ও উত্তর (হাতে কলমে)

১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও:

১.১ কবি বিষ্ণু দে-র প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: কবি বিষ্ণু দে-র প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম 'উর্বশী ও আর্রেটিস'।

১.২ তাঁর লেখা দুটি প্রবন্ধের বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: তাঁর লেখা দুটি প্রবন্ধের বইয়ের নাম 'রুচি ও প্রগতি' এবং 'সাহিত্যের ভবিষ্যৎ'।

২. নীচের শব্দগুলির বদলে অন্য শব্দ বসিয়ে অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি করো।

২.১ দুই দিকে বন, মাঝে ঝিকিমিকি পথ
উত্তর: দুই দিকে বন, মাঝে আলোছায়া পথ।

২.২ এঁকে বেঁকে চলে প্রকৃতির তালে তালে।
উত্তর: এঁকে বেঁকে চলে প্রকৃতির ছন্দে ছন্দে।

২.৩ তাঁবুর ছায়ায় নদীর সোনালি সেতারে
উত্তর: তাঁবুর ছায়ায় নদীর সোনালি স্রোতে।

২.৪ হঠাৎ পুলকে বনময়ূরের কথক,
উত্তর: হঠাৎ আনন্দে বনময়ূরের নৃত্য।

২.৫ বন্য প্রাণের কথাকলি বেগ জাগিয়ে।
উত্তর: বন্য প্রাণের প্রবল গতি জাগিয়ে।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির একটি বাক্যে উত্তর দাও :

৩.১ পথ কীসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে?
উত্তর: পথ প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে।

৩.২ চিতার চলে যাওয়ার ভঙ্গিটি কেমন?
উত্তর: চিতার চলে যাওয়ার ভঙ্গিটি ছিল লুব্ধ ছন্দের মতো।

৩.৩ ময়ূর কীভাবে মারা গেছে?
উত্তর: ময়ূর পণ্যে অর্থাৎ comercial লাভের শিকার হয়ে মারা গেছে।

৩.৪ প্রান্তরে কার হাহাকার শোনা যাচ্ছে?
উত্তর: প্রান্তরে শুকনো হাওয়ার হাহাকার শোনা যাচ্ছে।

৩.৫ পলাশের ঝোপে কবি কী দেখেছেন?
উত্তর: পলাশের ঝোপে কবি হঠাৎ আনন্দে নাচরত বনময়ূরকে দেখেছেন।

৪. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর কয়েকটি বাক্যে লেখো:

৪.১ জঙ্গলের কোন কোন প্রাণীর কথা কবি এই কবিতায় বলেছেন?
উত্তর: কবি এই কবিতায় খরগোশ, বনময়ূর, হরিণ এবং চিতা—এই চারটি প্রাণীর কথা বলেছেন।

৪.২ সেতারের বিশেষত্ব হিসেবে কবি 'সোনালি' শব্দের ব্যবহার করেছেন কেন?
উত্তর: নদীর জলের উপর সূর্যের আলো পড়ে তা চকচক করছিল, যা দেখতে সোনালি রঙের মতো লাগছিল। সেই সোনালি রঙের নদীর স্রোতের আওয়াজকে কবি সেতারের সুরের সঙ্গে তুলনা করেছেন, তাই 'সোনালি সেতার' শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

৪.৩ কথক ও কথাকলি-র কথা কবিতার মধ্যে কোন প্রসঙ্গে এসেছে?
উত্তর: কবি পলাশের ঝোপে বনময়ূরের আনন্দিত নৃত্যকে 'কথক' নাচের সঙ্গে তুলনা করেছেন। আবার, বন্য ছন্দে চিতার হিংস্র গতিকে 'কথাকলি' নাচের বেগের সঙ্গে তুলনা করে এই প্রসঙ্গ এনেছেন।

৪.৪ 'সিসমুনির হরিণ-আহ্বান' কবি কীভাবে শুনেছেন?
উত্তর: কবি নদীর ধারে তাঁবুর ছায়ায় বসেছিলেন। সেই শান্ত পরিবেশে তিনি সিসমুনি গাছের আড়াল থেকে ভেসে আসা হরিণের ডাক শুনেছিলেন।

৪.৫ ‘ময়ূর মরেছে পণ্যে’ এই কথার অন্তর্নিহিত অর্থ কী?
উত্তর: এই কথার অর্থ হলো, মানুষ নিজেদের লাভের জন্য ময়ূরের মতো সুন্দর পাখিকে হত্যা করেছে বা তাদের বাসস্থান ধ্বংস করেছে। ফলে প্রকৃতির এই সুন্দর প্রাণীটি আজ বিলুপ্তপ্রায়।

বিজ্ঞাপন

৫. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:

৫.১ বিষয়বস্তুর দিক থেকে কবিতাটির শেষ স্তবকের বিশিষ্টতা কোথায়? এর থেকে কবি-মানসিকতার কী পরিচয় পাওয়া যায়?
উত্তর: কবিতাটির শেষ স্তবকের বিশেষত্ব হলো, এখানে প্রকৃতির সুন্দর বর্ণনা থেকে সরে এসে কবি বর্তমানের এক কঠিন বাস্তবকে তুলে ধরেছেন। তিনি প্রশ্ন করেছেন, কেন মানুষ নিজের দেশে অসহায়, কেন প্রকৃতি স্তব্ধ এবং কবে মানুষ আবার নিজের প্রকৃত বাসভূমি ফিরে পাবে।
এ থেকে বোঝা যায়, কবি প্রকৃতির ধ্বংস এবং মানুষের বিচ্ছিন্নতা নিয়ে অত্যন্ত চিন্তিত ও ব্যথিত। তিনি একজন সংবেদনশীল এবং সমাজ-সচেতন মানুষ।

৫.২ কবি নিজেকে পরবাসী বলেছেন কেন?
উত্তর: কবি নিজেকে 'পরবাসী' বলেছেন কারণ তিনি অনুভব করছেন যে, যে সুন্দর প্রকৃতি ও স্বাভাবিক জীবন ছিল, তা আজ হারিয়ে গেছে। জঙ্গল সাফ হয়ে গেছে, গ্রাম মরে গেছে, এবং মানুষ তার নিজের পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এই বিচ্ছিন্নতা এবং নিজের শিকড় থেকে দূরে সরে যাওয়ার অনুভূতিই কবিকে তাঁর নিজের দেশে 'পরবাসী' বা প্রবাসী করে তুলেছে।

৫.৩ ‘জঙ্গল সাফ, গ্রাম মরে গেছে, শহরের/পত্তন নেই...’— প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে এই পঙক্তিটির প্রাসঙ্গিকতা বিচার করো।
উত্তর: এই পঙক্তিটি প্রকৃতি ও মানুষের গভীর সম্পর্কের অবনতিকে তুলে ধরে। মানুষ উন্নয়নের নামে জঙ্গল কেটে ফেলায় প্রকৃতি তার ভারসাম্য হারিয়েছে, যার ফলে গ্রামগুলি তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থেকে বিচ্যুত হয়ে 'মরে গেছে'। অন্যদিকে, প্রকৃতির विनाशের উপর ভিত্তি করে যে শহর গড়ে উঠছে, তাতেও কোনো প্রাণের ছোঁয়া নেই, তাই তার 'পত্তন নেই'। এটি প্রমাণ করে যে, প্রকৃতিকে ধ্বংস করে মানুষ নিজেও সুখী হতে পারে না।

৫.৪ ‘পরবাসী’ কবিতার প্রথম তিনটি স্তবক ও শেষ দুটি স্তবকের মধ্যে বক্তব্য বিষয়ের কোনো পার্থক্য থাকলে তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: হ্যাঁ, দুটি অংশের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। প্রথম তিনটি স্তবকে কবি এক সুন্দর, জীবন্ত ও রহস্যময় প্রকৃতির ছবি এঁকেছেন, যেখানে খরগোশ, ময়ূর, হরিণ ও চিতার অবাধ বিচরণ।
কিন্তু শেষ দুটি স্তবকে সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যায়। এখানে কবি প্রকৃতির ধ্বংস, গ্রামের বিলুপ্তি এবং মানুষের অসহায়তার কথা বলেছেন। প্রথম অংশে রয়েছে মুগ্ধতা ও সৌন্দর্য, আর শেষ অংশে রয়েছে হতাশা, যন্ত্রণা এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রশ্ন।

৫.৫ ‘পরবাসী’ কবিতায় কবি কীভাবে তাঁর বক্তব্যকে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে কবিতার গঠন আলোচনা করে বোঝাও।
উত্তর: কবি দুটি ভিন্ন চিত্র পাশাপাশি রেখে তাঁর বক্তব্যকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। প্রথমে তিনি একটি শান্ত ও সুন্দর অতীতের প্রকৃতির ছবি এঁকেছেন। তারপর হঠাৎই সেই ছবি থেকে বেরিয়ে এসে তিনি এক ধ্বংসপ্রাপ্ত বর্তমানের কথা বলেছেন। এই বৈপরীত্য বা contrast তৈরি করার মাধ্যমে তিনি পাঠকের মনে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। কবিতার শেষে প্রশ্ন রেখে তিনি তাঁর বক্তব্যকে এক দার্শনিক স্তরে নিয়ে গেছেন। এই গঠন কবিতার আবেদনকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

৫.৬ কবিতার নাম ‘পরবাসী’ দেওয়ার ক্ষেত্রে কবির কী কী কাজ করেছে বলে তোমার মনে হয়? তুমি কবিতাটির বিকল্প নাম দাও এবং সে নামকরণের পেছনে তোমার যুক্তি সাজাও।
উত্তর: আমার মনে হয়, 'পরবাসী' নামটি দেওয়ার কারণ হলো কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, মানুষ প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজের দেশেই প্রবাসীর মতো জীবন কাটাচ্ছে। তার শিকড় ছিন্ন হয়েছে, তাই সে 'পরবাসী'।
আমার মতে, এই কবিতার একটি বিকল্প নাম হতে পারে 'হারানো ঠিকানা'। কারণ, এই কবিতায় মানুষ তার স্বাভাবিক বাসস্থান অর্থাৎ প্রকৃতিকে হারিয়ে ফেলেছে এবং সেই হারানো ঠিকানার জন্যই কবির মনে হাহাকার জেগে উঠেছে।

৬. টীকা লেখো:

  • কথক: এটি উত্তর ভারতের একটি জনপ্রিয় শাস্ত্রীয় নৃত্য। এই নাচে গল্প বলার উপর জোর দেওয়া হয়।
  • সেতার: এটি তারযুক্ত একটি ভারতীয় বাদ্যযন্ত্র, যা শাস্ত্রীয় সংগীতে ব্যবহৃত হয়।
  • কথাকলি: এটি কেরালার একটি ঐতিহ্যবাহী নৃত্য-নাট্য। এই নাচে পৌরাণিক কাহিনি অভিনয় করে দেখানো হয়।
  • সিসমুনি: এটি এক প্রকার গাছ, যা শিশু গাছ নামেও পরিচিত। এর কাঠ খুব মূল্যবান।
  • পণ্য: যে কোনো জিনিস যা কেনা-বেচা করা যায়, তাকে পণ্য বলে।

৭. নীচের শব্দগুলির ধ্বনিতাত্ত্বিক বিচার করো:

  • জঙ্গল: এটি একটি দেশি শব্দ। এর ধ্বনিতাত্ত্বিক পরিবর্তন বিশেষ নেই।
  • পরবাসী: 'পর' (অন্য) এবং 'বাস' (থাকা) থেকে এসেছে। 'পরবাস' শব্দের সঙ্গে 'ঈ' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
  • চরণ: এটি একটি তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
  • তাঁবু: এটি একটি তুর্কি শব্দ। এখানে 'তাঁ' অংশে আনুনাসিক বা নাসিক্য ধ্বনি (nasal sound) রয়েছে, যা চন্দ্রবিন্দু দিয়ে বোঝানো হয়েছে।

৮. ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো:

  • নিটোল: নেই টোল যার – নঞ বহুব্রীহি সমাস।
  • বনময়ূর: বনের ময়ূর – সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস।
  • সিসমুনি: সিসু নামক মুনি - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
  • নিজবাসভূমি: নিজের বাসভূমি – সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস।
  • সেতার: সে (তিন) তার আছে যার – সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস।

৯. নীচের শব্দগুলি কীভাবে গঠিত হয়েছে দেখাও:

  • সোনালি: সোনা + আলি (প্রত্যয়)।
  • আহ্বান: আ (উপসর্গ) + √হ্বে (ধাতু) + অন (প্রত্যয়)।
  • বন্য: বন + য (প্রত্যয়)।
  • করতি: এটি একটি আঞ্চলিক শব্দ, সম্ভবত 'করে' বা 'করছে' অর্থে ব্যবহৃত।
  • পরবাসী: পরবাস + ঈ (প্রত্যয়)।

১০. নির্দেশ অনুসারে বাক্য পরিবর্তন করো:

১০.১ চুপি-চুপি আসে নদীর কিনারে, জল খায়! (সরল বাক্যে)
উত্তর: নদীর কিনারে চুপি-চুপি এসে জল খায়।

১০.২ নিটোল টিলার পলাশের ঝোপে দেখেছি। (জটিল বাক্যে)
উত্তর: যে টিলাটি নিটোল, তার পলাশের ঝোপে দেখেছি।

১০.৩ চিতা চলে গেল লুব্ধ ছন্দে বন্য প্রাণের কথাকলি বেগ জাগিয়ে। (যৌগিক বাক্যে)
উত্তর: চিতা লুব্ধ ছন্দে চলে গেল এবং বন্য প্রাণের কথাকলি বেগ জাগিয়ে দিল।

১০.৪ কেন এই দেশে মানুষ এমন অসহায়? (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর: এই দেশে মানুষের অসহায়ত্ব দূর হয় না কেন?

বিজ্ঞাপন