অষ্টম শ্রেণীর বাংলা সমাধান - নাটোরের কথা

WBBSE-র 'সাহিত্য মেলা' বইয়ের "নাটোরের কথা" প্রবন্ধটির সম্পূর্ণ সমাধান।

Shilpi Mondal
Shilpi Mondal

প্রবন্ধ: নাটোরের কথা

লেখকের নাম: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৭১-১৯৫১)


লেখক পরিচিতি

Abanindranath Tagore

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন একজন প্রখ্যাত শিল্পী এবং শিশুসাহিত্যিক। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাইপো। তাঁর ছবিতে মুঘল ও প্রাচীন ভারতের শিল্পকলার প্রভাব দেখা যায়। ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর বইগুলির মধ্যে 'রাজকাহিনী', 'ভূতপত্রীর দেশ', 'ক্ষীরের পুতুল' ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। পাঠ্যাংশটি তাঁর 'ঘরোয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

প্রবন্ধের সারসংক্ষেপ

'নাটোরের কথা' প্রবন্ধে লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বদেশী যুগের এক প্রাদেশিক সম্মেলনের স্মৃতিচারণ করেছেন। নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথের আমন্ত্রণে ঠাকুরবাড়ির সদস্য এবং তৎকালীন কংগ্রেসের বড় বড় নেতারা এক বিশেষ ট্রেনে নাটোরের উদ্দেশে রওনা দেন। লেখক সরসভাবে স্টিমারে খাওয়ার ঘটনা, নাটোরের এলাহি আয়োজন ও রাজকীয় আতিথেয়তার বর্ণনা দিয়েছেন। এই সম্মেলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল বাংলা ভাষাকে সম্মেলনের কাজের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লড়াই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নেতৃত্বে যুবকদের দল এর পক্ষে ছিল, কিন্তু বর্ষীয়ান নেতারা ইংরেজিতেই কাজ চালাতে хотели। শেষ পর্যন্ত যুবকদের জেদ ও প্রতিবাদের ফলে, এমনকি ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী লালমোহন ঘোষও বাংলায় বক্তৃতা দেন এবং সম্মেলনে বাংলা ভাষার প্রচলন হয়। এই ঘটনাটি ছিল বাংলা ভাষার মর্যাদার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ জয়।

শব্দার্থ

চোগাচাপকান: লম্বা ঢিলেঢালা জামা বিশেষ। জাইগ্যানটিক: দৈত্যাকৃতি, বিশাল। হোমরাচোমরা: সম্ভ্রান্ত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি। চাঁই: প্রধান, নেতা। স্পিচ: বক্তৃতা। প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্স: প্রাদেশিক সম্মেলন।


অনুশীলনী প্রশ্ন ও উত্তর

১. লেখক পরিচিতি

১.১ অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা দুটি বইয়ের নাম হলো 'রাজকাহিনী' এবং 'ক্ষীরের পুতুল'।

১.২ তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে কোন সম্পর্কে সম্পর্কিত?
উত্তর: তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাইপো ছিলেন।

২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:

২.১ 'আজ সকালে মনে পড়ল একটি গল্প' লেখকের অনুসরণে সেই 'গল্প'টি নিজের ভাষায় বিবৃত করো।
উত্তর: লেখকের মনে পড়া গল্পটি হলো স্বদেশী যুগে নাটোরে অনুষ্ঠিত এক প্রাদেশিক সম্মেলনের স্মৃতি। নাটোরের মহারাজার আমন্ত্রণে লেখক, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং অন্যান্য নেতারা সেখানে যান। এই সম্মেলনেই প্রথমবার বাংলা ভাষাকে কাজের ভাষা হিসেবে ব্যবহার করার দাবি ওঠে এবং তরুণদের প্রতিবাদের মুখে বর্ষীয়ান নেতারা সেই দাবি মেনে নিতে বাধ্য হন।

২.২ লেখকের বর্ণনা অনুযায়ী, তখনকার নাটোরের মহারাজার নাম কী ছিল?
উত্তর: তখনকার নাটোরের মহারাজার নাম ছিল জগদিন্দ্রনাথ।

২.৩ তিনি কোন 'রিসেপশন কমিটি'র প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
উত্তর: তিনি নাটোরে অনুষ্ঠিত প্রভিনসিয়াল কনফারেন্সের 'রিসেপশন কমিটি'র প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

২.৪ 'নাটোর নেমন্তন্ন করলেন...'- সেই নেমন্তন্নের তালিকায় কাদের নাম ছিল বলে লেখক স্মরণ করতে পেরেছেন?
উত্তর: সেই নেমন্তন্নের তালিকায় ছিলেন লেখকের বাড়ির সবাই, যেমন দীপুদা, রবিকাকা, মেজোজ্যাঠামশায়, ন-পিসেমশাই জানকীনাথ ঘোষাল, ডব্লিউ. সি. বোনার্জি, লালমোহন ঘোষ, সুরেন্দ্র বাঁড়ুজ্জে এবং কংগ্রেসের অন্যান্য নেতারা।

২.৫ 'রওনা হলুম সবাই মিলে হৈ হৈ করতে করতে।' — কোথায় রওনা হলেন? কীভাবেই বা রওনা হলেন?
উত্তর: তাঁরা নাটোরে অনুষ্ঠিতব্য প্রভিনসিয়াল কনফারেন্সের জন্য রওনা হলেন।
তাঁদের জন্য একটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, সেই ট্রেনে চেপেই তাঁরা হৈ-হৈ করতে করতে রওনা হলেন।

২.৬ সরাঘাট থেকে লেখক ও তাঁর সঙ্গীরা কোন নদীতে স্টিমার চড়েছিলেন?
উত্তর: সরাঘাট থেকে লেখক ও তাঁর সঙ্গীরা পদ্মা নদীতে স্টিমার চড়েছিলেন।

২.৭ স্টিমারে খাওয়া-দাওয়ার প্রসঙ্গ আলোচনায় লেখকের সরস মনের পরিচয় কীভাবে দেদীপ্যমান হয়ে উঠেছে তা বুঝিয়ে দাও।
উত্তর: স্টিমারের খাওয়ার বর্ণনায় লেখকের সরস মনের পরিচয় ফুটে ওঠে। তিনি যেভাবে এক 'চাঁই'-এর 엄청 খাওয়া এবং নিজেদের ভাগে পুডিং না পাওয়ার আশঙ্কা বর্ণনা করেছেন, তা অত্যন্ত মজাদার। শেষে বয়কে টিপে দিয়ে নিজেদের দিকে আগে খাবার আনানোর ব্যবস্থা করার ঘটনাটি লেখকের রসিক ও ভোজনরসিক মনের পরিচয় দেয়।

২.৮ 'যেন ইন্দ্রপুরী।'- কীসের সঙ্গে 'ইন্দ্রপুরী'র তুলনা করা হয়েছে? কেনই বা লেখক এমন তুলনা করেছেন?
উত্তর: নাটোরের মহারাজার সাজানো বাড়ি ও বৈঠকখানার সঙ্গে 'ইন্দ্রপুরী'র তুলনা করা হয়েছে।
কারণ বাড়িটি ঝাড়লণ্ঠন, দামি ফুলদানি, কার্পেট ইত্যাদি দিয়ে এমন সুন্দর ও জমকালোভাবে সাজানো হয়েছিল যে, লেখকের কাছে তা স্বর্গের রাজা ইন্দ্রের পুরীর মতোই ঐশ্বর্যমণ্ডিত ও भव्य মনে হয়েছিল।

২.৯ 'একেই বলে রাজ সমাদর।' উদ্ধৃতিটির আলোকে নাটোরের মহারাজার অতিথি-বাৎসল্যের পরিচয় দাও।
উত্তর: নাটোরের মহারাজা অতিথিদের জন্য এলাহি আয়োজন করেছিলেন। স্পেশাল ট্রেন, স্টিমারের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে থাকা-খাওয়ার নিখুঁত তত্ত্বাবধান—সবকিছুতেই তাঁর আন্তরিকতা ও যত্নের পরিচয় পাওয়া যায়। অতিথিদের কার কী প্রয়োজন, তা না চাইতেই হাজির করা হতো। এই বিপুল আয়োজন ও আন্তরিক সেবাই তাঁর অতিথি-বাৎসল্যের প্রমাণ দেয়।

২.১০ 'নাটোরের খুব আগ্রহ' — কোন প্রসঙ্গে তাঁর আগ্রহের কথা এখানে বলা হয়েছে?
উত্তর: লেখক যখন নাটোরের পুরোনো বাড়ি, ঘর, মন্দির ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন এবং সেগুলোর স্কেচ করছিলেন, সেই প্রসঙ্গে নাটোরের মহারাজার আগ্রহের কথা বলা হয়েছে। তিনি লেখককে রানি ভবানীর ঘর সহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখান।

২.১১ 'আগে থেকেই ঠিক ছিল' — আগে থেকে কী ঠিক থাকার কথা বলা হয়েছে? সেই উপলক্ষ্যে কোন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা পাঠ্যাংশে রয়েছে, তা আলোচনা করো।
উত্তর: আগে থেকেই ঠিক ছিল যে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রস্তাব করবেন প্রভিনসিয়াল কনফারেন্সের সমস্ত কাজ বাংলা ভাষায় হবে।
এই প্রস্তাব নিয়ে সম্মেলনে দুটি দল হয়ে যায়। বর্ষীয়ান নেতারা ইংরেজির পক্ষে ছিলেন, আর রবীন্দ্রনাথের নেতৃত্বে যুবকদের দল ছিল বাংলার পক্ষে। এর ফলে প্যান্ডেলে প্রচণ্ড হট্টগোল শুরু হয় এবং কেউ ইংরেজিতে বক্তৃতা শুরু করলেই 'বাংলা, বাংলা' বলে চিৎকার করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

২.১২ নাটোরে প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গানটি পরিবেশন করেছিলেন?
উত্তর: লেখক নিশ্চিত না হলেও অনুমান করেছেন যে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'সোনার বাংলা' গানটি পরিবেশন করেছিলেন।

২.১৩ 'আমাদের তো জয়জয়কার।' কী কারণে লেখক ও তাঁর সঙ্গীদের 'জয়জয়কার' হলো?
উত্তর: কনফারেন্সে বাংলা ভাষার দাবি নিয়ে যে বিতর্ক চলছিল, তাতে শেষ পর্যন্ত তাঁদেরই জয় হয়। এমনকি ইংরেজির ঘোর সমর্থক লালমোহন ঘোষও বাংলায় বক্তৃতা দিতে বাধ্য হন। বাংলা ভাষার এই বিজয়ের কারণেই লেখক ও তাঁর সঙ্গীদের 'জয়জয়কার' হয়েছিল।

২.১৪ 'সেই প্রথম আমরা পাবলিকলি বাংলা ভাষার জন্য লড়লুম।'- লেখকের অনুসরণে সেই 'লড়াই'-এর বিশদ বিবরণ দাও।
উত্তর: সেই 'লড়াই' ছিল মূলত অহিংস প্রতিবাদ। যখনই কোনো বক্তা ইংরেজিতে বক্তৃতা শুরু করছিলেন, তখনই রবীন্দ্রনাথের নেতৃত্বে যুবকদের দল সমস্বরে 'বাংলা, বাংলা' বলে চিৎকার করে উঠছিল। তাদের এই ক্রমাগত প্রতিবাদের ফলে সম্মেলনের কাজ চালানো মুশকিল হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত বিপক্ষ দল হার মেনে নেয়। এভাবেই তাঁরা বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য লড়াই করেছিলেন।

৩. নির্দেশ অনুযায়ী বাক্য পরিবর্তন করো:

৩.১ আজ সকালে মনে পড়ল একটি গল্প — সেই প্রথম স্বদেশি যুগের সময়কার, কী করে আমরা বাংলা ভাষার প্রচলন করলুম। (জটিল বাক্যে)
উত্তর: আজ সকালে যে গল্পটা মনে পড়ল, সেটা হলো সেই প্রথম স্বদেশি যুগের সময়কার, যখন আমরা বাংলা ভাষার প্রচলন করেছিলাম।

৩.২ ভূমিকম্পের বছর সেটা। প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্স হবে নাটোরে। (বাক্যদুটিকে জুড়ে লেখো)
উত্তর: সেটা ছিল ভূমিকম্পের বছর এবং সেবার প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্স নাটোরে হবে।

৩.৩ নাটোর নেমন্তন্ন করলেন আমাদের বাড়ির সবাইকে। (যৌগিক বাক্যে)
উত্তর: তিনি নাটোর এবং তিনি আমাদের বাড়ির সবাইকে নেমন্তন্ন করলেন।

৩.৪ আরো অনেকে ছিলেন- সবার নাম কি মনে আসছে এখন। (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর: আরো অনেকে থাকলেও সবার নাম এখন মনে আসছে না।

৩.৫ নাটোর বললেন, কিছু ভেবো না। সব ঠিক আছে। (পরোক্ষ উক্তিতে)
উত্তর: নাটোর কিছু ভাবতে বারণ করে বললেন যে সব ঠিক আছে।

৩.৬ অমন 'জাইগ্যানটিক' খাওয়া আমরা কেউ কখনো দেখিনি। (নিম্নরেখ শব্দটির পরিবর্তে বাংলা শব্দ ব্যবহার করে বাক্যটি আবার লেখো।)
উত্তর: অমন দৈত্যাকৃতি খাওয়া আমরা কেউ কখনো দেখিনি।

৩.৭ ছোকরার দলের কথায় আমলই দেন না। (হ্যাঁ-সূচক বাক্যে)
উত্তর: ছোকরার দলের কথা তাঁরা এড়িয়ে চলেন।

৩.৮ ন-পিসেমশাই জানকীনাথ ঘোষাল রিপোর্ট লিখছেন আর কলম ঝাড়ছেন। (বাক্যটিকে দু'টি বাক্যে ভেঙ্গে লেখো)
উত্তর: ন-পিসেমশাই জানকীনাথ ঘোষাল রিপোর্ট লিখছেন। তিনি কলম ঝাড়ছেন।

৩.৯ গরম গরম সন্দেশ আজ চায়ের সঙ্গে খাবার কথা আছে যে অবনদা। (নিম্নরেখ শব্দের প্রকার নির্দেশ করো এবং অর্থ এক রেখে অন্য শব্দ ব্যবহার করে বাক্যটি আবার লেখো)
উত্তর: 'গরম গরম' - নির্ধারক বিশেষণ (বিশেষণের বিশেষণ)।
বাক্য: টাটকা সন্দেশ আজ চায়ের সঙ্গে খাবার কথা আছে যে অবনদা।

৩.১০ হাতের কাছে খাবার এলেই তলিয়ে দিতেম। (জটিল বাক্যে)
উত্তর: যখনই হাতের কাছে খাবার আসত, তখনই তলিয়ে দিতাম।

৪. নীচের বাক্যগুলি থেকে সন্ধিবদ্ধ শব্দগুলি খুঁজে নিয়ে সন্ধি বিচ্ছেদ করো:

৪.১ স্টিমারে নির্ভাবনায় উঠে গেলুম।
উত্তর: নির্ভাবনায় = নিঃ + ভাবনায়।

৪.২ তিনি অর্ধেকের বেশি নিজের প্লেটে তুলে নিলেন।
উত্তর: অর্ধেকের = অর্ধ + একের।

৫. নীচের শব্দগুলির ধ্বনিতাত্ত্বিক বিচার করো:

হাঙ্গাম: হাঙ্গামা > হাঙ্গাম (অন্ত্যস্বরলোপ)

আপসোস: আফসোস > আপসোস (অঘোষীভবন)

চান: স্নান > সিনান > চান (স্বরভক্তি ও স্বরলোপ)

তক্কাতর্কি: তর্কাতর্কি > তক্কাতর্কি (সমীভবন)

জিজ্ঞেস: জিজ্ঞাসা > জিজ্ঞেস (স্বরসংগতি ও সমীভবন)

৬. নীচের শব্দগুলির প্রকৃতি-প্রত্যয় নির্দেশ করো:

স্বদেশি: স্বদেশ + ই (তদ্ধিত প্রত্যয়)

জিজ্ঞাসা: জ্ঞা + সন্ + অ + আ (কৃৎ প্রত্যয়)

ঢাকাই: ঢাকা + আই (তদ্ধিত প্রত্যয়)

৭. ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো:

চোগাচাপকান: চোগা ও চাপকান - দ্বন্দ্ব সমাস।

বিছানাবাক্স: বিছানা ও বাক্স - দ্বন্দ্ব সমাস।

ইন্দ্রপুরী: ইন্দ্রের পুরী - ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।

রাজসমাদর: রাজার সমাদর - ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।

গল্প-গুজব: গল্প ও গুজব - দ্বন্দ্ব সমাস।

অন্দরমহল: অন্দরের মহল - ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।

৮. কোনটি কী ধরনের সর্বনাম তা লেখো:

আমরা: ব্যক্তিবাচক সর্বনাম

সেটা: নির্দেশক সর্বনাম

তাঁকে: ব্যক্তিবাচক সর্বনাম

সবাই: সাকল্যবাচক সর্বনাম

তিনি: ব্যক্তিবাচক সর্বনাম

আমি: ব্যক্তিবাচক সর্বনাম

এটা: নির্দেশক সর্বনাম